WooCommerce দোকানের জন্য বাংলাদেশে বানানো প্লাগইন। একই মোবাইল থেকে ভিন্ন ভিন্ন সিমে অর্ডার, কয়েক সেকেন্ডের বট-অর্ডার, বারবার ফেরত দেওয়া কাস্টমার — সব ধরে ফেলে। আর ফেক অর্ডারের Purchase Facebook-এ যেতে দেয় না, তাই আপনার অ্যাড ভুল লোক শেখে না।
ফেক অর্ডারের আসল খরচ শুধু পার্সেল ফেরত না — Facebook ভুল কাস্টমার শিখে ফেলে, অ্যাড বাজেট পুড়তে থাকে।
প্রতিযোগী একই মোবাইল থেকে ১০টা সিম দিয়ে অর্ডার করে — শুধু ফোন নাম্বার দেখে ব্লক করলে কিছুই ধরা পড়ে না।
ফেক অর্ডারের Purchase পিক্সেলে চলে যায়, আর Meta ঠিক ওই টাইপের লোককে আরও বেশি অ্যাড দেখায়।
কাস্টমার ফোন ধরে না, পার্সেল ফেরত আসে — কুরিয়ার চার্জ আর প্যাকেজিং দুটোই লস।
কড়া রুল দিলে আসল কাস্টমারও আটকে যায়, আর কে আটকাল সেটা জানারও উপায় থাকে না।
সাইটে ঢুকে ৩ সেকেন্ডে অর্ডার — এটা মানুষ না, স্ক্রিপ্ট। কিন্তু সাধারণ প্লাগইন সময় দেখেই না।
একসাথে অনেক ফেক অর্ডার এলে থামানোর উপায় থাকে না, অ্যাড অ্যাকাউন্টের ডেটা নষ্ট হয়ে যায়।
প্রতিটা রুল আপনি নিজে চালু/বন্ধ করবেন। সাধারণ সময়ে দরকারি সুরক্ষা চালু রাখুন — যেন আসল কাস্টমার ভুল করে ডাবল অর্ডার বা অর্ডারের পরে প্রশ্ন করতে গিয়ে আবার অর্ডার না করে ফেলে। কেউ বা প্রতিযোগী টার্গেট করে ফেক অর্ডার দিলে অ্যাডভান্সড রুল (একই ব্রাউজার/IP, Smart Shield, Under Attack Mode) চালু করুন।
একই ফোন, একই ব্রাউজার/মোবাইল, বা একই IP — যেটা চান সেটা দিয়ে ঠিক করুন নির্দিষ্ট সময়ে কয়টা অর্ডার হবে। সিম বদলালেও ধরা পড়ে।
সন্দেহের অর্ডারের Purchase আটকে রাখে। আপনি Confirm/Complete করলে তখন Conversions API দিয়ে পাঠায়। Cancel হলে কখনোই যায় না।
ফেক অর্ডারের ঝড় এলে এক ক্লিকে (বা অটোমেটিক ধরে) কয়েক ঘণ্টা সব অর্ডারের Meta data hold। দোকান খোলাই থাকে।
প্রতিটা সন্দেহের অর্ডারে কারণ দেখায়, আর কোন আগের অর্ডারের সাথে মিলেছে — #নম্বর, same number / same IP / same device। নাম্বার নতুন হলেও একই মোবাইল বা নেটওয়ার্ক থেকে আগের অর্ডার থাকলে সেটাও দেখায়। কুরিয়ার রিপোর্টও আছে — কাস্টমার আগে কত পার্সেল নিয়েছে।
কিছু কানেক্ট করতে হয় নাসাইটে ঢোকার কত সেকেন্ড পরে অর্ডার হলো — প্রতিটা অর্ডারে দেখায়। বেশি তাড়াতাড়ি হলে hold। Autofill ইউজাররা এই রুলের বাইরে।
টাইপ, Autofill, Paste নাকি Voice — ফর্ম কীভাবে পূরণ হলো সেটা অর্ডার লিস্টেই দেখবেন। Voice টাইপিং আসল কাস্টমার হিসেবে ধরা হয়।
ফর্ম পূরণ করে চলে যাওয়া কাস্টমার আর আমাদের আটকানো প্রতিটা অর্ডার — কারণসহ এক লিস্টে। কল করে এক ক্লিকে আসল অর্ডার বানান।
অর্ডার লিস্ট থেকেই Steadfast/Pathao-তে পার্সেল বুক। কুরিয়ারের webhook থেকে অর্ডার স্ট্যাটাস নিজে থেকে আপডেট হয়।
আপনার কুরিয়ার অ্যাকাউন্ট লাগবেভুল নাম্বার লিখলেই সাথে সাথে লাল ওয়ার্নিং। দরকার হলে OTP। Block List মেয়াদ শেষে নিজে খুলে যায়, CSV import/export আছে।
পেমেন্ট হলেই License key স্ক্রিনে আর ইমেইলে পাবেন। কাউকে মেসেজ করতে হবে না।
ড্যাশবোর্ড থেকে zip ডাউনলোড → WordPress › Plugins › Add New › Upload। Key বসান, হয়ে গেল।
দরকারি সেটিং আগে থেকেই চালু করা থাকে। টার্গেট হলে অ্যাডভান্সড রুল চালু করুন। নতুন ভার্সন এলে Plugins পেজেই "Update now" দেখাবে।
| বিষয় | সাধারণ প্লাগইন | Fake Order Shield |
|---|---|---|
| একই ফোনে বারবার অর্ডার আটকানো | ✓ | ✓ |
| একই মোবাইল/ব্রাউজার থেকে ভিন্ন সিমে অর্ডার — প্রথম অর্ডারের পরেই আটকানো | আংশিক | ✓ |
| প্রথম অর্ডার থেকেই রুল চালু | — | ✓ |
| অর্ডারের সময় (সেকেন্ড) দেখে সিদ্ধান্ত | — | ✓ |
| টাইপ / Autofill / Paste / Voice চেনা | — | ✓ |
| ফেক অর্ডারের Meta Purchase আটকানো | — | ✓ |
| Under Attack Mode | — | ✓ |
| সন্দেহের কারণ + মিলে যাওয়া আগের অর্ডার (#নম্বর) | — | ✓ |
| আটকানো প্রতিটা অর্ডার কারণসহ সেভ (আসল কাস্টমার ফিরিয়ে আনা) | আংশিক | ✓ |
| কুরিয়ার এন্ট্রি ও webhook স্ট্যাটাস | ✓ | ✓ |
বাংলাদেশি দোকানের শত শত বাতিল COD অর্ডার বিশ্লেষণ করে রুলগুলো ঠিক করা — কোন রুল আসল কাস্টমার আটকায় সেটা বাদ দেওয়া হয়েছে।
কোনো একটা ফিচারে সমস্যা হলেও সেটা আলাদা থাকে — আপনার চেকআউট চালু থাকে, অর্ডার আসতেই থাকে।
আপনার কুরিয়ার পাসওয়ার্ড আর Meta token আপনার সাইটেই থাকে, আমাদের সার্ভারে আসে না।
প্ল্যানে শুধু মেয়াদের পার্থক্য। প্রতিটা লাইসেন্স ১টা ওয়েবসাইটের জন্য।
অর্ডার হারায় না। Incomplete Orders-এ "Blocked : কারণ" লেখা সহ নাম, ফোন, ঠিকানা, প্রোডাক্ট সব সেভ থাকে। কল করে এক ক্লিকে আসল অর্ডার বানাতে পারবেন। কাস্টমারও স্ক্রিনে আপনার সাপোর্ট নাম্বার দেখে।
না। ফ্রড ডিটেকশন প্লাগইনের নিজের কাজ — ডিভাইস, ফোন, IP, সময়, ইনপুট আর আগের অর্ডার দেখে কাজ করে, কিছু কানেক্ট করতে হয় না। আপনার Pathao/Steadfast অ্যাকাউন্ট শুধু লাগবে যদি অর্ডার লিস্ট থেকে সরাসরি পার্সেল বুক করতে আর স্ট্যাটাস অটো-আপডেট করতে চান।
যে অর্ডার সন্দেহের (খুব তাড়াতাড়ি, Paste করা ফর্ম, আগে বাতিল হওয়া নাম্বার/IP/ডিভাইস, বা Under Attack চলছে), তার Purchase ইভেন্ট ব্রাউজার পিক্সেল আর সার্ভার — কোনো দিক থেকে যেতে দেয় না। আপনি অর্ডার Confirm/Complete করলে তখন Conversions API দিয়ে পাঠায় (আপনার Pixel ID আর token লাগে, PixelYourSite থাকলে সেটারটাই ব্যবহার হয়)। Cancel করলে কখনোই যায় না। তাই Meta শুধু আসল ক্রেতা শেখে।
না। Autofill ইউজাররা টাইম রুলের বাইরে, আর Voice টাইপিংকে আসল কাস্টমার ধরা হয়। অর্ডার লিস্টে শুধু দেখাবে ফর্ম কীভাবে পূরণ হয়েছে।
প্লাগইন সপ্তাহে একবার নিজে নতুন ভার্সন চেক করে। নতুন এলে WordPress-এর Plugins পেজে অন্য প্লাগইনের মতোই "Update now" আসবে। চাইলে সেটিংস থেকে "Check for update now" চাপতে পারেন।
হ্যাঁ। ড্যাশবোর্ড থেকে আগের সাইট সরিয়ে দিন, তারপর নতুন সাইটে key বসান।
প্রোটেকশন রুলগুলো থেমে যায়, কিন্তু আপনার সেটিংস, Block List আর Incomplete Orders সব থেকে যায়। রিনিউ করলে আগের মেয়াদের শেষ দিন থেকে নতুন মেয়াদ যোগ হয় — একদিনও নষ্ট হয় না।
কেনার ২ মিনিটের মধ্যে আপনার দোকানে চালু।